কি চাকরি খুজছেন, সার্চ করুন

Saturday, December 24, 2016

বিসিএস পরীক্ষা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য


বিসিএস পরীক্ষার কি ও কেন?

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সরকারী চাকুরিতে(বিশেষ করে প্রথম শ্রেণীর) যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগদানের জন্য একটি পরীক্ষার আয়োজন করে, সেই পরীক্ষাটিই বিসিএস পরীক্ষা।  ব্রিটিশরা প্রথম এই উপমহাদেশে এই ধারাটা শুরু করে যার ধারাবাহিকতা পাকিস্তান আমলেও ছিল, স্বাধীন বাংলাদেশেও অব্যহত আছে। 
মোট ২৭ টি ক্যাডারে এই পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগদান করা হয়। শূন্য পদের সংখ্যার ভিত্তিতে বিপিএসসি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের যৌথ উদ্যোগে ক্যাডার অনুযায়ী শূন্য পদের লিস্ট তৈরি হয় ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রায় ৪ সপ্তাহ সময় দেয়া হয়।


বিসিএস এ নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা
কমপক্ষে মাস্টার্স ডিগ্রী অথবা এইচ এস সি এর পরে চার বছর মেয়াদি কোন ডিগ্রী। শিক্ষাজীবনে একটার বেশী তৃতীয় শ্রেণী থাকলে বিসিএস পরীক্ষার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এছাড়া-

  • অনার্সে সব Written পরীক্ষা শেষ হলে Appeared হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। তবে পরীক্ষার ফলাফল বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষার আগে প্রকাশিত হলেই তবে প্রিলিমিনারী পরীক্ষা দিতে পারবেন। 
  • ভাইভার আগেই শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল কিংবা প্রভিশনাল সার্টিফিকেট কমিশনে জমা দিতে হবে। 
বয়সসীমা
  • কমপক্ষে ২১ এবং সর্বোচ্চ ৩০(আদিবাসীদের জন্য ৩২) বছর বয়সীমার মধ্যে যারা আছেন তারা পরীক্ষা দিতে পারবেন। যে মাসে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে সেই মাসের ১ তারিখ বয়স গণনার জন্য বিবেচনা করা হয়। 
  • বয়সের ক্ষেত্রে এস এস সি সার্টিফিকেট কিংবা, স্বীকৃত প্রমাণপত্র মূল্যায়ন করা হবে।
Bpsc তে প্রকাশিত সর্বশেষ এবং সবচেয়ে নির্ভুল তথ্য নিচের লিংক থেকে নিজেই দেখে নিন অথবা নিচে পড়তে থাকুন-



ফর্ম কিনতে টাকা লাগবে
সবার জন্য ৭০০ টাকা দিতে হবে পরীক্ষার ফি হিসেবে। প্রতিবন্ধী, আদিবাসী এবং Ethnic Minority দের জন্য ১০০ টাকা। 

প্রিলিমিনারী পরীক্ষা এবং নম্বরবন্টন
২ ঘন্টা ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারলে যত মার্কস পাবেন, ভূল উত্তর দিলে তার ৫০% কাটা যাবে। অর্থাৎ, সঠিক উত্তরে ১ মার্কস হলে ভূল উত্তরে হাফ মার্কস কাটা যাবে। আন্দাজে উত্তর দেয়া নিশ্চিত বোকামি হবে । সিলেবাস দেখে নিন-
বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষার সিলেবাস
(আরো বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন)

লিখিত এবং ভাইভার নম্বরবন্টন
যারা প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে তারাই শুধু লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। সবার জন্য যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা দেয়া লাগবে সেগুলো দেখে নিন-
বিসিএস লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস
মোট ৯০০ মার্কসের লিখিত পরীক্ষা হবে সবার জন্য। এছাড়া যারা প্রফেশনাল ক্যাডার হতে চান তাদেরকে আরো ২০০ মার্কসের পরীক্ষা দিতে হবে চাকরি সম্পর্কিত বিষয়ের উপর।  
যারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবেন শুধুমাত্র তারাই ভাইভায় অংশ নিতে পারবেন।

নম্বরবন্টনের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ
২০০ মার্কসের পরীক্ষা হবে ৪ ঘন্টা এবং ১০০ মার্কসের পরীক্ষা হবে ৩ ঘন্টার। ৩০ মার্কস এর কম কোন বিষয়ে পেলে সেটা ০ হিসেবে ধরে নেয়া হবে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে আপনাকে কমপক্ষে গড়ে ৫০% মার্কস পেতে হবে। হ্যাঁ, এটা সব বিষয়ের গড়।

নিয়োগপ্রাপ্তির ধাপগুলো
যারা সব পরীক্ষায় পাস করবেন তাদের ভিতর থেকে প্রাপ্ত মার্কসের ভিত্তিতে যোগ্যতম ব্যক্তিরা নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হবেন। বিসিএস সাধারণ, প্রফেশনাল কিংবা উওভয়ের জন্য আপনি সুপারিশকৃত হতে পারেন। 
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ৪৫% পাবে কোটাবিহীন যোগ্যতম ব্যক্তিরা এবং ৫৫% পাবেন কোটাসহ যোগ্যতম ব্যক্তিরা। 

এরপর মেডিকেল পরীক্ষা, পুলিশ রিপোর্ট শেষে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর প্রশাসন মন্ত্রনালয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে যোগদানের জন্য পাঠাবেন। 

যারা পরীক্ষায় পাশ করেছেন কিন্তু ক্যাডার পান নি তারা ১ম শ্রেণীর নন ক্যাডার চাকরিতে সুপারিশ পাবেন। এরপরও যারা বাকি থাকবেন তারা ২য় শ্রেণীর সরকারী চাকরিতে সুপারিশকৃত হবেন। 
Sponsored content

No comments:

Post a Comment